প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Voice of Chittagong
Voice of Chittagong কৈলাস বিলাস, মোমিন রোড়, চেরাগী পাহাড়, চট্টগ্রাম।
ফোনঃ +880 1823-605363 | ই-মেইলঃ admin@voiceofchittagong.com
জাতীয়

ট্রাম্পের দ্বৈত আয়ারল্যান্ডের স্বপ্ন, যুক্তরাজ্য গণভোটে অনিচ্ছুক

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প দুই আয়ারল্যান্ডকে একত্রিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যা যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক মঞ্চে আলোড়ন সৃষ্
প্রতিবেদক: Voice of Chittagong প্রকাশ: Sep 12, 2026 প্রিন্ট: 06 Nov 2026, 07:40 AM
ট্রাম্পের দ্বৈত আয়ারল্যান্ডের স্বপ্ন, যুক্তরাজ্য গণভোটে অনিচ্ছুক

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প দুই আয়ারল্যান্ডকে একত্রিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যা যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক মঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের মতে, আয়ারল্যান্ডের ঐক্য যুক্তরাজ্যের জন্য অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে, তবে তিনি যুক্তরাজ্যের জনগণকে এখনই গণভোটে অংশগ্রহণে রাজি করাতে অনিচ্ছুক। এই বক্তব্যের ফলে যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য ও জনসাধারণের মধ্যে বিতর্কের ঢেউ ওঠে, যেখানে কেউ কেউ ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন, আবার অন্যরা যুক্তরাজ্যের সার্বভৌমত্ব ও আয়ারল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আয়ারল্যান্ডের বিভাজনের ইতিহাস ১৯১২ সালের হোম রুলস এবং ১৯৪৯ সালের আইরিশ ফ্রি স্টেট গঠনের পর থেকে জটিল। ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের পর যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়। ট্রাম্পের প্রস্তাব আয়ারল্যান্ডের ঐক্যকে একটি নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ এনে দিলেও, এটি ব্রেক্সিট পরবর্তী যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সাথে জটিলভাবে জড়িত।

ট্রাম্পের মন্তব্যের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানান। প্রধানমন্ত্রী একটি বিবৃতিতে বলেন, “আমরা আমাদের নাগরিকদের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই, এবং কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা ও জনগণের মতামত সংগ্রহ করব।” আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীও জোর দিয়ে বলেন, “আয়ারল্যান্ডের ঐক্য একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা উভয় দেশের জনগণের সম্মতির উপর নির্ভরশীল।” জনসাধারণের মধ্যে এই প্রস্তাবের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে; কেউ কেউ অর্থনৈতিক সুযোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন, আবার কেউ সীমান্ত নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের হুমকি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

বর্তমান সময়ে যুক্তরাজ্য সরকার একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে, যাতে ট্রাম্পের প্রস্তাবের সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা যায়। সরকারী দলটি অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামাজিক দিক থেকে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে, যা আগামী কয়েক মাসে সংসদে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি, যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার টেবিলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, যাতে সীমান্ত সমস্যা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা যায়। ভবিষ্যতে যদি জনগণের সমর্থন পাওয়া যায়, তবে যুক্তরাজ্য গণভোটের সম্ভাবনা বিবেচনা করতে পারে, তবে তা এখনই অনিশ্চিত।

© 2026 Voice of Chittagong. All rights reserved.